![]() |
| মালায়ান ম্যানশন। |
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর টেরিটরির মন্ত্রী তানশ্রি আনোয়ার মুসা বলেছেন জালান মসজিদ ইন্ডিয়া অঞ্চলের ভবন দুটিতে বসবাস করে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের অভিবাসী কর্মীরা।কুয়ালালামপুর সিটি হল(ডিবিকেএল),ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেন্টার(সিএমসি) মসজিদ ইন্ডিয়া অঞ্চলে বসবাসরত নাগরিকদের করোনা মহামারী সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশের জন্য বাংলাদেশ,ভারত ও পাকিস্তানের হাই কমিশনের সাথে আলোচনা করবে।খুব শিঘ্রই আলোচনার জন্য তিনটি দেশের হাই কমিশনের সাথে যোগাযোগ করা হবে।ভবন দুটি পুরোপুরি ভাবে লকডাউন করা হয়েছে যাতে ভেতর থেকে কেউ বাইরে যেতে না পারে।আপাতত সকলকে নিজ নিজ অবস্থানে থাকতে বলা হয়েছে যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে না পারে।
আরও পড়ুনঃ
👉সুখবরঃপ্রবাসীদের ভিসা লাগাতে লেভিতে ২৫% ছাড় দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার।জানুন বিস্তারিতঃ
👉দারুণ খবরঃমালয়েশিয়ায় যেসকল প্রবাসী খাদ্য সংকটে আছে তাদের হাই কমিশনে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।জানুন বিস্তারিতঃ
তিনি বলেছেন আমরা বাসিন্দাদের একটি বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি বাংলা,উর্দু ও তামিল বুঝতে পারে এমন লোকদের দ্বারা বাসিন্দাদের কাছে বার্তা পৌঁছে দেব যাতে তারা তা বুঝতে পারে এবং বিশৃঙ্খলা না করে শান্ত থাকে ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এবং ফ্রন্টলাইনে থাকা কর্মীদের কাজে সহায়তা করে।তবে ভবন দুটিতে বসবাসকারী বাংলাদেশী, ভারতীয় ও পাকিস্তানি কেউ আক্রান্ত হয়েছে কিনা তা এখনওনিশ্চিত হওয়া যায়নি।ভবনটিতে তিনটি দেশের কতজন কর্মী আটকা পরে আছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত প্লাজা সিটি ওয়ান বাসিন্দাদের ত্রান বিতরণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দফতরের (ধর্ম বিষয়ক) সিনেটর দাতুক ডাঃ জুলকিফলি মোহামাদ আল-বাকরির কাছ থেকে অনুদান নেওয়ার পরে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
আনোয়ার মুসা আরও বলেছেন যে আইন শৃঙ্খলা বাহিনিদের এসব পদক্ষেপের জন্য সেখানকার বাসিন্দাদের ভয় বা উদ্বিগ্ন হওয়ার কোন কারণ নেই।কর্তৃপক্ষ কেবলমাত্র এটি নিশ্চিত করতে চায় যে আক্রান্ত ব্যক্তিরা যেন অন্য এলাকায় চলে না যায় ।কারণ ভবনের কোন বাসিন্দা আক্রান্ত হয়ে থাকলে সে অন্য এলাকায় চলে গেলে টার দ্বারা আরও মানুষ সংক্রমিত হতে পারে।তিনি বলেন ফেডারেল টেরিটরিতে শ্রী পেতালিং, মসজিদ ইন্ডিয়া এবং সেলায়াং হোলসেল মার্কেট ব্যতীত অন্য কোন নতুন অঞ্চলে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন দেখা যায়নি।


0 মন্তব্যসমূহ