| মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন। |
মালয়েশিয়ায় করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে ১৮ই মার্চ থেকে ৩১শে মার্চ পর্যন্ত মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এমসিও) বা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ কার্যকর করা হলেও পরবর্তীতে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারনে তা বাড়িয়ে ১৪ই এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়।
আজ ১০শে এপ্রিল শুক্রবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী তানশ্রি মুহিউদ্দিন ইয়াসিন ঘোষণা করেছেন যে করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার(এমসিও) বা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ ১৫ ই এপ্রিল থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত আরও দুই সপ্তাহ বাড়ানো হবে।
প্রধানমন্ত্রী তান শ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন বলেছেন,বর্ধিত এই মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এমসিও) বা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ করোনা ভাইরাস সংক্রমণের চেইন ভাঙতে ও মহামারী মোকাবেলায় স্বাস্থ্য কর্মীদের সহায়তা করবে।
আরও পড়ুনঃ
প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন একটি বিশেষ ভাষণে বলেছিলেন, "স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের ভিত্তিতে সরকার আজ আরও দুই সপ্তাহের জন্য মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এমসিও) বা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।"
তিনি বলেছেন এই পদক্ষেপটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা থেকে দেখা যায় যে দেশটিতে এখনি মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এমসিও) বা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ শেষ করা উচিত নয়।কেননা কয়েকটি দেশে ইতিপূর্বে ভাইরাসের বিস্তার কিছুটা কমার পর গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ প্রত্যাহার করার পর পুনরায় ভাইরাসের বিস্তার বেড়ে গিয়েছিলো।
প্রধানমন্ত্রী বলেন মালয়েশিয়ায় করোনা ভাইরাসের পরিস্থিতি হালকা করে দেখার সুযোগ নেই।যদিও সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে ২য় ধাপে এমসিও বাস্তবায়নের ফলে স্বাস্থ্য কর্মীদের করোনা ভাইরাসের বিস্তার বেশ স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করেছে।তিনি বলেন প্রকৃতপক্ষে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার চিহ্নিত উৎসগুলুর দিকে বিশেষ নজরদারির মাধ্যমে ভাইরাসের বিস্তার রোধের প্রচেষ্টা আরও তীব্র করতে হবে।মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের (এমওএইচ) অনুমান অনুযায়ী দেখা গেছে যে প্রায় একমাস ধরে কার্যকর থাকা এমসিও সংক্রমণের হার এবং করোনা ভাইরাসের বিস্তার কিছুটা হ্রাস করেছে।
আজ মালয়েশিয়ায় করোনা থেকে ২২০জন সুস্থ্য হয়েছে যা আজ নতুন আক্রান্ত ১১৮জনের তুলনায় বেশি।বিগত কয়েক দিনযাবত মালয়েশিয়ায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যাও কমে গেছে।আগামী দুই সপ্তাহ এমসিও কার্যকর করায় করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধ করা যাবে ইনশাল্লাহ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন।পুরোপুরিভাবে করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে সবাইকে আরও কিছুটা দীর্ঘ সময় গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ মেনে নিতে প্রস্তুত হওয়ার আহবান জানান।
ভাইরাসের বিস্তার রোধে অবৈধ অভিবাসীদের প্রবেশ ঠেকাতে তিনি পুলিশ পরিদর্শক-পুলিশ, প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রধান, মালয়েশিয়ার মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সির মহাপরিচালক, অভিবাসন বিভাগ, আরইএলএ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকেও দেশের সীমান্তে তদন্তের জন্য নির্দেশনা দিয়েছিলেন।পুরোপুরি ভাবে করোনা ভাইরাস রোধ করা না গেলে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব নয়।এটা মেনে নিতে কষ্ট হলেও মানুষকে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে।
রমযান মাসে মুসলমানরা তাদের রমজানের বাজারে যেতে পারবে না এবং তারাবীহের নামায পড়তে মসজিদেও যেতে পারবে না।মালয়েশিয়ার নাগরিকেরা তাদের গ্রামে ও বিদেশীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবে না।যারা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ মেনে করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে সহায়তা করছে তাদের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি ২৮শে এপ্রিল পর্যন্ত সবাইকে এমসিও মেনে চলার অনুরুধ জানান।
তিনি বলেছেন এই পদক্ষেপটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা থেকে দেখা যায় যে দেশটিতে এখনি মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এমসিও) বা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ শেষ করা উচিত নয়।কেননা কয়েকটি দেশে ইতিপূর্বে ভাইরাসের বিস্তার কিছুটা কমার পর গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ প্রত্যাহার করার পর পুনরায় ভাইরাসের বিস্তার বেড়ে গিয়েছিলো।
প্রধানমন্ত্রী বলেন মালয়েশিয়ায় করোনা ভাইরাসের পরিস্থিতি হালকা করে দেখার সুযোগ নেই।যদিও সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে ২য় ধাপে এমসিও বাস্তবায়নের ফলে স্বাস্থ্য কর্মীদের করোনা ভাইরাসের বিস্তার বেশ স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করেছে।তিনি বলেন প্রকৃতপক্ষে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার চিহ্নিত উৎসগুলুর দিকে বিশেষ নজরদারির মাধ্যমে ভাইরাসের বিস্তার রোধের প্রচেষ্টা আরও তীব্র করতে হবে।মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের (এমওএইচ) অনুমান অনুযায়ী দেখা গেছে যে প্রায় একমাস ধরে কার্যকর থাকা এমসিও সংক্রমণের হার এবং করোনা ভাইরাসের বিস্তার কিছুটা হ্রাস করেছে।
আজ মালয়েশিয়ায় করোনা থেকে ২২০জন সুস্থ্য হয়েছে যা আজ নতুন আক্রান্ত ১১৮জনের তুলনায় বেশি।বিগত কয়েক দিনযাবত মালয়েশিয়ায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যাও কমে গেছে।আগামী দুই সপ্তাহ এমসিও কার্যকর করায় করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধ করা যাবে ইনশাল্লাহ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন।পুরোপুরিভাবে করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে সবাইকে আরও কিছুটা দীর্ঘ সময় গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ মেনে নিতে প্রস্তুত হওয়ার আহবান জানান।
ভাইরাসের বিস্তার রোধে অবৈধ অভিবাসীদের প্রবেশ ঠেকাতে তিনি পুলিশ পরিদর্শক-পুলিশ, প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রধান, মালয়েশিয়ার মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সির মহাপরিচালক, অভিবাসন বিভাগ, আরইএলএ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকেও দেশের সীমান্তে তদন্তের জন্য নির্দেশনা দিয়েছিলেন।পুরোপুরি ভাবে করোনা ভাইরাস রোধ করা না গেলে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব নয়।এটা মেনে নিতে কষ্ট হলেও মানুষকে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে।
রমযান মাসে মুসলমানরা তাদের রমজানের বাজারে যেতে পারবে না এবং তারাবীহের নামায পড়তে মসজিদেও যেতে পারবে না।মালয়েশিয়ার নাগরিকেরা তাদের গ্রামে ও বিদেশীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবে না।যারা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ মেনে করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে সহায়তা করছে তাদের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি ২৮শে এপ্রিল পর্যন্ত সবাইকে এমসিও মেনে চলার অনুরুধ জানান।

0 মন্তব্যসমূহ