Ticker

6/recent/ticker-posts

মালয়েশিয়ায় ১৪ই এপ্রিলের পরেও বাড়ানো হতে পারে লকডাউন সময়সীমা।পড়ুন বিস্তারিতঃ

স্বাস্থ্য মহা পরিচালক ডাঃ নুর হিশাম।
মালয়েশিয়ায় ক্রমশই বাড়ছে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের বিস্তার।৪ই এপ্রিল নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১৫০জন এবং মারা গেছে আরও ৪জন।যা নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ৫৭ জন এবং মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩৪৮৩জন এ পৌঁছেছে।সর্বমোট সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৯১৫জন।করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে ১৮ই মার্চ থেকে ৩১শে মার্চ পর্যন্ত লকডাউন থাকার কথা থাকলেও পরবর্তীতে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারনে তা ১৪ই পর্যন্ত করা হয়।কিন্তু তা ভাইরাসের বিস্তার রোধে যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

লকডাউনের শুরুর দিকে আক্রান্তের সংখ্যা কম থাকলেও তা ক্রমশই বেড়ে চলেছে।শুরুর দিকে আক্রান্তের সংখ্যা ১০৬জন থেকে বেড়ে ২৩৫জনে পৌঁছেছে।স্বাস্থ্য মহা পরিচালক ডাঃ নুর হিশাম বলেছেন লকডাউন সময়সীমা বাড়ানো প্রয়োজন কিনা তা ১০শে এপ্রিল একটি বৈঠকের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।লকডাউন সময়সীমা বাড়ানো হলে তা প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন ঘোষণা করবেন।নুর হিশাম বলেছেন মালয়েশিয়ায় প্রতিদিন করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখার উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।সিদ্ধান্ত টা হবে বিজ্ঞান ও তথ্যভিত্তিক।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আশা করে যে ১০শে এপ্রিল সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ তথ্য পাওয়া যাবে।ডাঃ নুর হিশাম এর আগে বলেছিলেন যে মন্ত্রণালয় সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি দেখার জন্য প্রস্তুত ছিল যা কিনা এপ্রিলের মাঝামাঝি করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৬৫০০জন হবে ধারনা করা হয়েছিলো।

আরও পড়ুনঃ
👉দারুণ খবরঃমালয়েশিয়ায় যেসকল প্রবাসী খাদ্য সংকটে আছে তাদের হাই কমিশনে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।জানুন বিস্তারিতঃ

👉মালয়েশিয়ায় খাদ্যসামগ্রী কিনতে বা যেকোনো প্রয়োজনে নিজ বাসস্থান থেকে ১০কিলোমিটারের বাইরে গেলেই আটক।বিস্তারিত


তিনি বলেছেন দায়িত্ব শুধুমাত্র মন্ত্রণালয়ের নয় সবাইকেই নিজ নিজ জায়গা থেকে ভুমিকা পালন করতে হবে।বিশদ বিবরণে, হিশাম ঘরে বসে এবং বাইরে যখন বাইরে যাওয়ার দরকার পড়ে তখন সামাজিক দুরুত্ত পর্যবেক্ষণ করে জনসাধারণকে লকডাউন নিয়ম মেনে চলার প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।আমাদের যে পরিসংখ্যান রয়েছে তা পরিবর্তন করতে আমরা কি কি করতে পারি আমরা প্রতিদিন নিরীক্ষণ করছি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ