মালয়েশিয়ায় করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে চলছে মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এমসিও) বা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ।মালয়েশিয়া এই গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশের দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করেছে।যা চলতি মাসের ১৪ তারিখ পর্যন্ত চলবে।গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশের দ্বিতীয় পর্যায়ে কিছু নিয়ম কানুনে করা হয়েছে কড়াকড়ি।কোনও ব্যক্তির বাসস্থান থেকে খাদ্য, নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী, ওষুধ বা খাদ্যতালিকাগত পরিপূরক কিছু কিনতে যে কোনও ভ্রমণকে ১০কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।
এগুলি সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের অধীনে তালিকাভুক্ত বিধিগুলির মধ্যে রয়েছে (সংক্রামিত স্থানীয় অঞ্চলের মধ্যে) (নাম্বার ২) বিধান ২০২০, যা ১ থেকে ১৪ই এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।বুধবার (১লা এপ্রিল) অ্যাটর্নি-জেনারেলের ওয়েবসাইটে আপলোডকৃত বিধিমালার অধীনে,খাবার, নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী, ওষুধ বা খাদ্যতালিকাগত পরিপূরক কিছু কিনতে নিজ বাসস্থান থেকে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে সিমাবদ্ধ থাকতে হবে।তাতে আরও বলা হয়েছে যে যুক্তিসঙ্গত কোন প্রয়োজন না হলে একজনের বেশি বাহিরে না যাওয়া।
বিশেষ কারণে যদি কোনও ব্যক্তিকে এক জায়গা থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে সেই ব্যক্তি তার নিকটবর্তী থানায় কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারের পূর্ব লিখিত অনুমতি গ্রহণ করতে হবে।নীতিমালাগুলুতে আরও বলা হয়েছে যে, খাদ্য সরবরাহ,নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, ওষুধ বা খাদ্যতালিকাগত পরিপূরক সরবরাহ, স্বাস্থ্যসেবা বা চিকিত্সা পরিষেবা নিতে বা কোনও প্রয়োজনীয় পরিষেবার সাথে সম্পর্কিত কোনও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে মানুষের চলাচল ১০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।নতুন নিতিমালার অধীনে, এমসিওর অধীনে প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলির সংখ্যাও কমিয়ে ১০টি করা হয়েছে ,যেখানে খাদ্য পরিষেবা, পানি, যোগাযোগ এবং ইন্টারনেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।তাতে উল্লেখ করা হয়েছে সুরক্ষা ও প্রতিরক্ষা,বর্জ্য এবং পাবলিক ক্লিনিং ম্যানেজমেন্ট এবং নর্দমা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা এবং চিকিত্সা সেবাসহ প্রয়োজনীয় পরিষেবা।
যেকোনো ধরনের ধর্মীয়,সামাজিক,খেলাধুলা ও বিনোদনমূলক জনসমাগম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।তবে কেউ মারা গেলে তার জানাজায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।মালয়েশিয়ায় প্রবেশের ক্ষেত্রে ইমিগ্রেশন পার হওয়ার পূর্বেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে এবং দায়িত্বরত কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুসরন করতে হবে।
উপরে উল্লেখিত কোন আইন অমান্য করলে তা অপরাধ বলে গণ্য করা হবে।এই আইন অমান্যকারিকে গুনতে হবে ১০০০ রিংগিত জরিমানা বা ছয় মাসের জেল বা উভয়ই হতে পারে।
| মালয়েশিয়ায় পুলিশ রোড ব্লক। |
বিশেষ কারণে যদি কোনও ব্যক্তিকে এক জায়গা থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে সেই ব্যক্তি তার নিকটবর্তী থানায় কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারের পূর্ব লিখিত অনুমতি গ্রহণ করতে হবে।নীতিমালাগুলুতে আরও বলা হয়েছে যে, খাদ্য সরবরাহ,নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, ওষুধ বা খাদ্যতালিকাগত পরিপূরক সরবরাহ, স্বাস্থ্যসেবা বা চিকিত্সা পরিষেবা নিতে বা কোনও প্রয়োজনীয় পরিষেবার সাথে সম্পর্কিত কোনও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে মানুষের চলাচল ১০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।নতুন নিতিমালার অধীনে, এমসিওর অধীনে প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলির সংখ্যাও কমিয়ে ১০টি করা হয়েছে ,যেখানে খাদ্য পরিষেবা, পানি, যোগাযোগ এবং ইন্টারনেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।তাতে উল্লেখ করা হয়েছে সুরক্ষা ও প্রতিরক্ষা,বর্জ্য এবং পাবলিক ক্লিনিং ম্যানেজমেন্ট এবং নর্দমা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা এবং চিকিত্সা সেবাসহ প্রয়োজনীয় পরিষেবা।
যেকোনো ধরনের ধর্মীয়,সামাজিক,খেলাধুলা ও বিনোদনমূলক জনসমাগম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।তবে কেউ মারা গেলে তার জানাজায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।মালয়েশিয়ায় প্রবেশের ক্ষেত্রে ইমিগ্রেশন পার হওয়ার পূর্বেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে এবং দায়িত্বরত কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুসরন করতে হবে।
উপরে উল্লেখিত কোন আইন অমান্য করলে তা অপরাধ বলে গণ্য করা হবে।এই আইন অমান্যকারিকে গুনতে হবে ১০০০ রিংগিত জরিমানা বা ছয় মাসের জেল বা উভয়ই হতে পারে।

0 মন্তব্যসমূহ