![]() |
| ছবিঃরায়হান কবির ও হামজা জয়নুদিন। |
আল জাজিরার প্রতিবেদনে ইমিগ্রেশনের বিরুদ্ধে সাক্ষাৎকার দেওয়া রায়হান কবিরকে নিয়ে মালয়েশিয়ার সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে অন্য একটি রাজনৈতিক দল ডিএপি ও সংসদ সদস্য তেরেসা কোকের তুমুল বিতর্ক হয়।ইমিগ্রেশন আইন ৫১ এর (৫বি) মোতাবেক পুত্রাজায়া ইমিগ্রেশনের গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তারা রায়হান কবিরকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে প্রেরণ করেছে।রায়হান কবিরের ভিসা বাতিল করে তার কোম্পানিকে জানানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুশ্রি হামজা জায়নুদিন বলেন,রায়হান কবিরের কোম্পানি বা নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের মাধ্যমে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।সংসদে বিতর্ক চলাকালীন এক এমপির প্রশ্নের জবাবে হামজা জায়নুদিন বলেন,রায়হান কবিরের নিয়োগকর্তার বিষয়ে আরও তদন্ত করা হচ্ছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন,যেকোনো কোম্পানি বা নিয়োগকর্তা,বিদেশি শ্রমিক ইমিগ্রেশন আইনের বিরুদ্ধে গেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইমিগ্রেশন আইন অনুযায়ী কোন বিদেশী শ্রমিক অপরাধ করলে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।
অন্য এক সংসদ সদস্য তেরেসা কোক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে,আল জাজিরার প্রতিবেদনে বাংলাদেশী রায়হান কবির সাক্ষাৎকারে যে অভিযোগ করেছিল তার বিষয়ে কোন তদন্ত করা হবে কিনা।তার প্রশ্নের যথাযথ উত্তর না পাওয়ায় তিনি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।তেরেসা কোক আরও জিজ্ঞাসা করেন আল জাজিরার কার্যালয়ে কর্তৃপক্ষ অভিযান চালিয়েছে কেন?
আরও পড়ুনঃ
আরএসএন রায়ের (পিএইচ-জেলুটং) আল জাজিরার বিরুদ্ধে তদন্তের কারণ জানতে ইঙ্গিত করে বলেছিল যে বর্তমান সরকার মিডিয়া স্বাধীনতা রোধে “অন্ধকার যুগে ফিরে” যাচ্ছে।হামজা বলেছিলেন যে তিনি তাকে একটি লিখিত জবাব দেবেন।
তেরেসা কোক বলেন এধরণের পদক্ষেপ ইমিগ্রেশন বিভাগের পাশাপাশি সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।পাল্টা জবাবে হামজা জায়নুদিন তেরেসা কোককে বলেন আপনি একবার মন্ত্রী ছিলেন তাই দয়া করে ইমিগ্রেশন আইনগুলো দেখুন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন রায়হান কবির অভিবাসীদের সাথে ইমিগ্রেশন বিভাগের আচরণের মিথ্যা অভিযোগ করেছিল তাই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং আল জাজিরা এই প্রতিবেদন সম্প্রচার করে রাষ্ট্রদ্রোহিতা, মানহানি এবং যোগাযোগ ও মাল্টিমিডিয়া আইন লঙ্গন করেছে তাই তাদের কার্যালয়ে অভিযান চালান হয়েছে ও তদন্ত করা হচ্ছে।


0 মন্তব্যসমূহ