| কর্মরত বিদেশী শ্রমিক। |
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে কুয়ালালামপুরের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বিদেশিদের দ্বারা পরিচালিত জাল নথি বিক্রির দুটি সিন্ডিকেটকে আটক করেছে।
ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক খায়রুল দাযাইমি দাউদ বলেছেন, আটক হওয়া আট বিদেশী শ্রমিকের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিক ও দুইজন ইন্দোনেশিয়ান নাগরিক।আটকক্রীত ৯ জনের মধ্যে সাত বছর বয়সী ২ টি শিশু রয়েছে।
ইমিগ্রেশন বিভাগ বৃহস্পতিবার দানাউ দেশার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪০জন বিদেশিকে গ্রেপ্তার করেছিল। তাদের মধ্যে দু'জন বাংলাদেশী এবং দুজন ইন্দোনেশিয়ানকে সিন্ডিকেটের মাস্টারমাইন্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।সিন্ডিকেটটি বাংলাদেশি নির্মাণ শ্রমিকদের অর্থের বিনিময়ে নকল অস্থায়ী কর্মসংস্থান ভিজিট পাস স্টিকার প্রধান করত।
জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, যে তারা বিদেশী কর্মীদের এজেন্ট হিসাবে কাজ করেছে।কিন্তু তারা মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাথে নিবন্ধিত হয়নি।সিন্ডিকেটটি শ্রমিকদের জাল কাগজ পত্রের জন্য প্রথম অবস্থায় ৬,৫০০ রিংগিত থেকে ৮,০০০ রিংগিত এর কাছাকাছি ফি হিসেবে নিত এবং পরবর্তীতে নবায়নকালে তারা প্রত্যেকের নিকট হতে ২,৫০০ রিংগিত করে নিত।
অভিযান চালিয়ে ১৭৭ টি বিদেশি পাসপোর্ট, টাঁকা লেনদেনের রশিদ , ৪,০০০ রিংগিত পরিমাণ অর্থ, দুটি কম্পিউটার, দুটি প্রিন্টার, একটি পেরুডো আলজা গাড়ি এবং মাইজি রেহিরিং আবেদনপত্রের বেশ কয়েকটি কপি জব্দ করেছে ইমিগ্রেশন বিভাগ।
ভিস্তা সৌজানা অ্যাপার্টমেন্টে অভিযান চালিয়ে তিন বাংলাদেশিকে আটক করেছে ইমিগ্রেশন বিভাগ।সন্দেহ করা হচ্ছে তারা পিএলকেএস এবং ভুয়া বিদেশী পাসের মুদ্রণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলো।এই অভিযানে পুলিশ ৫৮ টি পাসপোর্ট এবং ছয়টি ইমিগ্রেশন বিভাগের ভিসা স্টিকার জব্দ করে, এর মধ্যে পাঁচটি ইতিমধ্যে প্রিন্ট করা হয়েছিলো।
ইমিগ্রেশন বিভাগের ধারণা গ্রেফতারক্রীতদের মধ্যে ৩জন মার্চ মাসে লকডাউনের শুরু থেকে এই জালিয়াতি কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলো।এসময় তারা ভুক্তভোগীদের নিকট হতে ৫,০০০ রিংগিত ফি হিসেবে নিত।

0 মন্তব্যসমূহ